FiFa World Cup 2026 🏆

00

Day

00

Hours

00

Minutes

00

Seconds

টঙ্গীতে ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীর অস্বাভাবিক মৃত্যুতে বিক্ষোভ; তদন্তের দাবি

 


গাজীপুরের টঙ্গীতে গুটিয়া ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ (আইএমসি)-এর শিক্ষার্থী নুরুল আমিন রিসানের কথিত ‘অস্বাভাবিক মৃত্যু’কে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ক্যাম্পাস। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং দায়ীদের বিচারের দাবিতে টানা বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষার্থীরা।

সোমবার সকাল ৮টা থেকে শুরু হওয়া এ বিক্ষোভ দুপুর পর্যন্ত চলতে থাকে।

এতে বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থীরা অংশ নিয়ে দ্রুত তদন্ত, কলেজ কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা এবং শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান।

শিক্ষার্থীদের ভাষ্য অনুযায়ী, গত শনিবার রাত ৮টার দিকে বোড় বাজারের ভাড়া বাসায় রিসানের মৃত্যু হয়। নিহত শিক্ষার্থীর বাড়ি টাঙ্গাইলের রতনপুরে এলাকায়।তিনি কলেজর আইএমসির ২৪তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন।

জানা গেছে, এনাটমি বিষয়ে একাধিকবার অকৃতকার্য হওয়ায় তিনি দীর্ঘদিন ধরে মানসিক চাপে ভুগছিলেন। সহপাঠীদের দাবি, মৃত্যুর আগে এক বন্ধুর কাছে তিনি শিক্ষকদের অতিরিক্ত চাপের কথা উল্লেখ করে একটি বক্তব্য দিয়ে যান।

তারা আরও জানান, ঘটনার পর দীর্ঘ সময় পার হলেও কলেজ প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি না আসায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তারা। এ ঘটনায় কলেজের অধ্যক্ষের পদত্যাগ দাবি করেছেন বিক্ষোভকারীরা।

অন্যদিকে, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সময় তথ্য সংগ্রহে গেলে কয়েকজন স্থানীয় সাংবাদিকের সঙ্গে হাসপাতালের এডমিন ম্যানেজার ইমরুল সাংবাদিকদের সঙ্গে অশোভনীয় আচরণ করেন। এবং তিনি দাবি করেন বিষয়টি ইতোমধ্যে সমাধান হয়েছে।

এ সময় মেডিকেলের ছাত্ররা সাংবাদিকদের দেখে একাডেমিক হলে থাকা শিক্ষার্থীরা হইহুল্য সৃষ্টি করেন এবং সাংবাদিকদের বের করে দেন। এ নিয়ে উপস্থিত সাংবাদিকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা যায়।

এ বিষয়ে টঙ্গী পশ্চিম থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আরিফুর রহমান জানান, ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে এবং তদন্তের জন্য পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক এস এম ইকবাল চৌধুরীর মোবাইল ফোনের একাধিকবার কল দিলেও সাড়া পাওয়া যায়নি।

এদিকে, রিসানের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে দ্রুত ময়নাতদন্ত সম্পন্ন ও রিপোর্ট প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

Previous Post Next Post